ল'একিপের খবর, বালোঁ দোর প্রতিযোগিতা তীব্র, কিন্তু মেসি চান বিশুদ্ধ প্রতিযোগিতামূলক খেলায়, মিডিয়া প্রচার নয়, ক্যারিয়ারের নবম বালোঁ দোরের পথে যেতে।

মেসি কখনো সামাজিক তারকা ছিলেন না। ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি মিডিয়ার সামনে আগের চেয়ে খোলা ও কথাবার্তায় সাবলীল মনে হলেও, এ আর্জেন্টিনীয় তারকা জানেন সবুজ মাঠই তাঁর সেরা মঞ্চ। ৩৯ বছরেও তিনি বিশ্বকাপে শীর্ষ খেলা দেখিয়েছেন: ৮ গোল, বারবার ম্যাচ বাঁচানো, ক্যারিয়ারের তৃতীয়বার ফাইনাল—এ অর্জনই নাড়া দেয়। ফাইনালে ০-১-এ স্পেনের কাছে হার ও সহকর্মীদের আচরণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও মেসির ব্যক্তিগত আলো ঢাকেনি।
বিশ্বকাপ শেষে মেসি আবার জনদৃষ্টি থেকে সরে যান। এ নীরবতা কেবল দুই বড় ঘটনায় ভাঙে: আগস্টের শুরুতে বাবার মৃত্যু, আর মাস শেষে জাতীয় দল থেকে অবসর। দুবারই তিনি শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সংক্ষিপ্ত বার্তা দিয়ে মন খুলেছেন।
গত মাসে মেসি ইন্টার মায়ামিতে ফিরে MLS খেলে পরিসংখ্যান বাড়িয়ে চলেছেন। সাম্প্রতিক ৭ ম্যাচে তিনি প্রতিটি নির্ধারক, ৭ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট। এতে এ বছরের মোট ২২ গোল ও ১৩ অ্যাসিস্ট। তিনি জানেন MLS-এর স্তর তাঁর পক্ষে বড় প্লাস নয়, তবু ভালোবাসা জায়গায় তিনি আলো ছড়াতে পারেন।
এ কোনো নতুন কৌশল নয়। মেসি খুব কমই নিজের “স্বস্তির জায়গা” ছাড়েন, চোখ ধাঁধানো উক্তিও তাঁর চরিত্রে যায় না। বালোঁ দোর ভোটের আগে বা ভোট চলাকালে তিনি নিজের প্রচার করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন ব্যক্তিগত মাঠের খেলা ও ফুটবল ইতিহাসের স্থানই সবচেয়ে শক্ত প্রতিযোগিতার মূলধন, কোনো পিআর নয়।
আশপাশের মানুষ যেমন বলে, পিআর সত্যিই মেসির “দুর্বল জায়গা”। তিনি প্রান্তে থাকতে ও কম কথা বলতেই পছন্দ করেন। এ আটবারের বালোঁ দোর জয়ী যেন হইচইয়ের বাইরে; স্বীকৃতির জন্য নিজেকে বেচতে হয় না।
2026-09-16 17:20 তারিখে আপডেট করা হয়েছে।
বাংলা তথ্য[0]